মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

 

‘‘গ্রাহক সেবা নির্দেশিকা’’

 

এক অবস্থানে সেবা কেন্দ্র (One Point Service)

 

পবিস-এর ’’এক অবস্থানে সেবা কেন্দ্র (ওয়ান পয়েন্ট সার্ভিস)’’ -এ নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ, বিদ্যুৎ বিভ্রাট/বিল/মিটার সংক্রান্ত অভিযোগ, বিল পরিশোধ সংক্রান্ত সকল ধরনের অভিযোগ জানানো যাবে এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য/সমাধান পাওয়া যাবে।

 

নতুন সংযোগ গ্রহন

·        এক অবস্থানে সেবা কেন্দ্র (ওয়ান পয়েন্ট সার্ভিস) থেকে নতুন সংযোগের আবেদনপত্র পাওয়া যাবে।

·        আবদেন পত্রটি যথাযথভাবে পূরণ করে নির্ধারিত আবেদন ফি নির্দিষ্ট দপ্তরে জমা প্রদান করে জমা রশিদ ও প্রয়োজনীয় দলিলাদি ‘‘এক অবস্থানে সেবা (ওয়ান পয়েন্ট সার্ভিস)’’-এ জমা করতে হবে।

·        সমিতি হতে ১৪ দিনের মধ্যে মাঠ পর্যায়ে তদন্ত সম্পন্ন করে পবিস নির্দেশিকা অনুযায়ী সংযোগ প্রদান করা সম্ভব হলে পত্রের মাধ্যমে ডিমান্ড নোট প্রেরণ করা হবে। ডিমান্ড নোটে উল্লেখিত অর্থ জমা করে ওয়্যারিং সম্পন্নপূর্বক পবিস-কে অবহিত করতে হবে। যদি সংযোগ প্রদান করা সম্ভব না হয় তার কারণ জানিয়ে আপনাকে একটি পত্র দেওয়া হবে।

·        পরবর্তী মাসের বিলিং সাইকেল অনুযায়ী গ্রাহকের প্রথম মাসের বিল জারী করা হবে।

 

বিল সংক্রান্ত অভিযোগ

 

বিল সংক্রান্ত যে কোন অভিযোগ যেমনঃ চলতি মাসের বিল পাওয়া যায়নি, বকেয়া বিল, অতিরিক্ত বিল ইত্যাদির জন্য ‘‘এক অবস্থানে সেবা কেন্দ্র (ওয়ান পয়েন্ট সার্ভিস)’’ এ যোগাযোগ করলে তাৎক্ষনিক সমাধান সম্ভব হলে তা নিষ্পত্তি করা হবে। অন্যথায় একটি নিবন্ধন নম্বর দিয়ে পরবর্তী যোগাযোগের সময় জানিয়ে দেয়া হবে এবং পরবতীৃ ০৭ (সাত) দিনের মধ্যে নিস্পত্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

বিল পরিশোধ

 

·        সমিতির সদর দপ্তর ও জোনাল অফিস সমূহে গ্রাহক বিল পরিশোধ করতে পারবেন।

·        সমিতির নির্ধারিত বিভিন্ন ব্যাংক সমূহে বিল পরিশোধ করা যাবে।

 

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এর আওতাধীন  ‘‘অভিযোগ কেন্দ্র’’ সমূহে আপনার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ জানাতে হবে। অভিযোগ জানানো হলে আপনাকে অভিযোগ নম্বর ও নিষ্পত্তির সম্ভাব্য সময় জানিয়ে দেয়া হবে। অভিযোগ নম্বরের ক্রমানুসারে আপনার বিদ্যুৎ বিভ্রাট দূরীভূত করার লক্ষ্যে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে যদি নির্ধারিত সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দূরীভূত করা সম্ভব না হয় তার কারণ গ্রাহহকে অবহিত করা হবে। তার ছিড়ে পড়লে সমিতির লোকজন না আসা পর্যন্ত পাহারা দিয়ে রাখতে হবে।

 

নতুন সংযোগের জন্য দলিলাদি

 

নতুন সংযোগের জন্য আবেদনপত্রের সাথে নিম্নোক্ত দলিলাদি দাখিল করতে হবেঃ-

 

·        সংযোগ গ্রহণকারীর পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি রঙ্গিন সত্যায়িত ছবি।

·        জমির মালিকানা দলিলের সত্যায়িত কপি।

·        লোড চাহিদার পরিমাণ।

·        জমি ভবনের ভাড়ার (যদি প্রযোজ্য হয়) দলিল।

·        ভাড়ার ক্ষেত্রে মালিকের সম্মতি পত্রের দলিল।

·        পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের বিবরণ ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের কপি।

·        অস্থায়ী সংযোগের ক্ষেত্রে বিবরণ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

·        ব্রাহ্মণবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃক প্রদত্ত কার্ডধারী ইলেকট্রিশিয়ান দ্বারা ওয়্যারিং করে রিপোর্ট প্রদান করতে হবে।

·        সংযোগ স্থ লের লোড তথ্য সম্বলিত নকশা।

·        শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের নিমিত্তে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

·        পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট প্লান্ট স্থাপন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

·        সার্ভিস লাইন এর দৈর্ঘ্য ১৩০ ফুটের বেশী হবে না।

·        বহুতল আবাসিক/বানিজ্যিক ভবন নির্মাতা ও মালিকের সাথে ফ্ল্যাট মালিকের চুক্তিনামার সত্যায়িত কপি। মালিকের সম্মতি পত্র ।

·        উপকেন্দ্রে স্থাপিত সব যন্ত্রপাতির স্পেসিফিকেশন ও টেষ্ট রেজাল্ট এবং বৈদ্যুতিক উপদেষ্টা ও প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শক কর্তৃক ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

·        পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

 

 

নতুন সংযোগের জন্য আবেদন ফি(প্রতিটি মিটরের জন্য)

 

 এলটি সংযোগের জন্য  ক) এক ফেজ                                ১০০.০০

                              খ)তিন ফেজ                                ২০০.০০

এমটি সংযোগের জন্য                                                   ১০০০.০০

ইএইচটি সংযোগের জন্য                                                ২০০০.০০

নতুন সংযোগের জন্য জামানতের পরিমাণ

 

· আবাসিক, বানিজ্যিক ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোওয়াট লোডের জন্য ৪০০.০০ টাকা ।

·সেচ কার্য্যে অগভীর নলকূপ ও এলএলপি প্রতি হর্স পাওয়ার লোডের জন্য ৩০০০.০০ টাকা। গভীর নলকহপ প্রতি হর্স পাওয়ার লোডের জন্য ২০০০.০০ টাকা।

·শিল্প সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোওয়াট লোডের জন্য ১০০০.০০ টাকা।

 

অস্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ

 

·সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান (যেমন-মেলা, ধর্মীয় সভা, পুজা মন্ডপ) এবং নির্মানাধীন কাজ (যেমন-ব্রীজ, রাস্তা) এর নিমিত্তে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য নিম্নবর্নিত শর্তাবলীর প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণ করতে পারবেন।

·ইহা সম্পূর্ণ অস্থায়ী সংযোগ হিসাবে বিবেচিত হবে যা কখনই স্থায়ী সংযোগ হিসেবে বিবেচিত হবে না।

· প্রয়োজনীয় মালামালের মূল্য  (ট্রান্সফরমার,লাইটিং এ্যারেষ্টার, ফিউজ কাট-আউট, মিটার, সকেট ব্যতিত) বইয়ে লিপিবদ্ধ মূল্যের উপর ১১০% হারে মূল্য প্রদান করতে হবে। সংযোগ বিচ্ছিন্ন কালে ভাল মালামাল ষ্টোরে ফেরৎ নেয়া হবে এবং বিনষ্ট মালামালের মূল্য ১০০% আদায় করার পর গ্রাহকের প্রদত্ত মূল্য বাবদ অর্থ ফেরত/সমন্বয় করা হবে।

·ট্রান্সফরমার ভাড়া বাবদ সিংগেল ফেজ হলে ১০০০.০০টাকা এবং তিন ফেজ হলে ২০০০.০০ টাকা অথবা প্রতি কেভিএ ৬০.০০ টাকা হিসেবে যা বেশী হয়।

 

লোড পরিবর্তন

­­

·লোড পরিবর্তনের জন্য সমীক্ষা ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে।

·লোড বৃদ্ধির জন্য প্রযোজ্য অনুযায়ী কিলোওয়াট প্রতি বিদ্যামান হারে জামানত প্রদান করতে হবে।

·অতিরিক্ত লোডের জন্য সার্ভিস তার/মিটার বদলানোর প্রয়োজন হলে উক্ত ব্যয় গ্রাহককে বহন করতে হবে।

·প্রাক্কলন ও জামানতের অর্থ জমাদানের ০৭ (সাত)  দিনের মধ্যে মালামাল প্রাপ্তি সাপেক্ষে লোড বৃদ্ধি কার্যকর করা হবে। যদি লোড বৃদ্ধি করা সম্ভবপর না হয় তার কারণ জানিয়ে গ্রাহককে একটি পত্র দেয়া হবে।

 

গ্রাহকের নাম পরিবর্তন পদ্ধতি

 

গ্রাহক ক্রয়সূত্রে, ওয়ারিশসূত্রে/লিজসূত্রে জায়গা বা প্রতিষ্ঠানের মালিক হলে সকল দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের কপি প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স, আর্টিক্যাল অব মেমোরেন্ডামসহ নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে। সরেজমিন তদন্তকরে নাম পরিবর্তনের জন্য বিদ্যমান হারে জামানত প্রদান করা সাপেক্ষে ০৭ (সাত) দিনের মধ্যে নাম পরিবর্তন কার্যকর করা হবে।

 

 

অবৈধভাবে বিদ্যু ব্যবহার, মিটার হস্তক্ষেপ বাইপাস, বিনা অনুমতিতে সংযোগ গ্রহণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা

বিদ্যুৎ আইনের /Electricity Act, 1910 & As Amended `The Electricity (Amendment) Act, 2006’) ৩৯ ধারা অনুসারে এ ক্ষেত্রে নূন্যতম ৩ বছর পর্যন্ত জেল অথবা ১০ হাজার টাকা জরিমানা উভয় শাস্তির বিধান  রয়েছে। তাছাড়া, অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের কারণে সমিতির নীতিমালা অনুযায়ী  সাধারণ জরিমানা ও ক্ষতিগ্রস্ত বিল দিতে হবে। এছাড়াও উক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের দ্বারা যদি বিদ্যু সরবরাহ সংস্থার বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, মিটার, মিটারিং ইউনিট ইত্যাদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে ক্ষতিগ্রস্ত বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, মিটার, মিটারিং ইউনিট ইত্যাদি পুনরায় সচল করা গেলে উহার ১০০% মূল্য এবং পুনঃস্থাপন ব্যয় অথবা সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত বা পুনরায় সচল করা যাবে না এরূপ সরঞ্জামের জন্য পুনঃস্থাপনের ব্যয় সহ প্রকৃত মূল্য আদায় করা হবে।

 

সমিতির মালামাল চুরিরোধ ও লোড শেডিং  হ্রাসকল্পে  গ্রাহক  সদস্যগনের ভূমিকা

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পবিস এর আওতাধীন বিভিন্ন এলাকা থেকে বৈদ্যুতিক লাইনে স্থাপিত ট্রান্সফরমার/তার ব্যাপকহারে চুরি হওয়ায় সংশ্লিষ্ট গ্রাহকসহ সমিতি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। চুরি প্রতিরোধ করতে না পারলে পরবর্তীতে সমিতিতে অর্থ পরিশোধ করলেও ট্রান্সফরমার /তার সরবরাহ করা সম্ভব হবে না, ফলে উৎপাদন/সেচ কাজ বাধাগ্রস্ত হবে অর্থাৎ সমিতির ব্যবস্থাপনা কর্তৃক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে না। ট্রান্সফরমার/বৈদুতিক মালামাল চুরি প্রতিরোধে গ্রাহক সদস্যদের জ্ঞাতব্য এবং করনীয় বিষয়সমূহ নিম্নে উল্লেখ করা হলো।

 

ট্রান্সফরমার চুরিকালীন লক্ষণসমূহঃ

 

(ক) গভীর রাতে কোন এলাকায় কোন প্রকার ঝড়-বৃষ্টি ব্যতীত আস্তে আস্তে ভোল্টেজ কমে বিদ্যুৎ চলে যাওয়া।

(খ) এক এলাকায় বিদ্যুৎ আছে অন্য এলাকায় বিদ্যুৎ নাই এমন ঘটনা ঘটা।

 

চুরি প্রতিরোধে করনীয়ঃ

 

(ক) ট্রান্সফরমারের নিরাপত্তার জন্য গ্রাহককে লোহার খাঁচা প্রস্ত্তত করে পোলে স্থাপন করতে হবে। ট্রান্সফরমারের কভার উহার বডির সহিত ওয়েল্ডিং করতে হবে।

(খ) ট্রান্সফরমার নিরাপত্তার জন্য গ্রাহককে নৈশকালীন পাহারার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

(গ) মাটি থেকে ৬ ফুট উঁচু হতে ৪ ফুট পর্যন্ত বারবেট ওয়্যার দ্বারা ট্রান্সফরমার স্থাপিত খুটিঁতে মোড়াতে হবে।

(ঘ) ট্রান্সফরমার স্থাপিত খুটিঁতে উঠার জন্য গ্রাহক নিজস্ব তত্ত্বাবধানে ও নিরাপদ স্থানে মই সংরক্ষণ করবেন যা সমিতির লাইনক্রুগণ প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন।

(ঙ) ট্রান্সফরমার হ্যাঙ্গার পোলের সঙ্গে চেইন দ্বারা তালাবদ্ধ করে রাখার জন্য গ্রাহক সমিতির সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। যার কারণে ট্রান্সফরমার চুরি হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পাবে।

(চ) রাত্রিকালীন রাস্তায় অপরিচিত লোকজন, ভ্যান, পিক-আপ/ট্রাক ও মাইক্রোবাস চলাচল করতে দেখলে চলাচলের কারন অনুসন্ধান করতে হবে।

(ছ) আপনার এলাকায় সন্দেহজনক লোকজনের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

(জ) সমিতির কর্মকর্তা/কর্মচারীর পরিচয়-পত্র ও অফিস আদেশ ছাড়া ট্রান্সফরমার উঠানো নামানোসহ বৈদ্যুতিক লাইনে কোন প্রকার কাজ করতে গেলে কাজ করা থেকে বিরত রেখে অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।

(ঝ) বিদ্যুৎ চলে গেলে তৎক্ষণাত নিকটবর্তী অভিযোগ কেন্দ্রকে অবহিত করে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কারণ জানতে হবে।

 

লোড শেডিং হ্রাসকল্পে গ্রাহক সদস্যদের করনীয় বিষয়সমূহঃ

 

সরকার বিদ্যুতের উৎপাদন ও চাহিদার মধ্যকার ক্রমবর্ধমান পার্থক্য কমিয়ে আনতে লোড শেডিং জনিত জনদুর্ভোগ সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যুতের অপচয় হ্রাসকল্পে বিদ্যুৎ সাশ্রয় কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন। লোড শেডিং হ্রাসকল্পে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য নিম্নবর্নিত পরামর্শগুলো যথাযথভাবে প্রতিপালন করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

 

(ক) সাধারণ বাল্বের পরিবর্তে টয়লেট, রান্নাঘর, করিডোর,বারান্দা,সিঁড়িঘর, ড্রইং রুম/ডাইনিং রুম ইত্যাদি স্থানে এনার্জি সেভিং বাল্ব এবং পড়ার ঘরে ইলেকট্রনিক ব্যালাষ্ট সম্বলিত টিউব লাইট ব্যবহার করা।

(খ) বাড়ি/বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য স্থানে সাধারণ ল্যাম্পের পরিবর্তে এনার্জি সেভিং (সিএফএল) বাল্ব ব্যবহার করা।

(গ) সন্ধ্যা  ৫.০০ টা থেকে রাত্রি ১১.০০ টা  পর্যন্ত পিক আওয়ারে সকল শিল্প ও সেচ প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা।

(ঘ) রাত্রি ৮.০০ টার পরে ঔষধ ও খাবারের দোকান ব্যতীত সকল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা।

(ঙ) প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত বাতি, ফ্যান ব্যবহার থেকে বিরত থাকা।

(চ) বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার থেকে বিরত থাকা।

(ছ) অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার প্রতিরোধ করা।

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter